pyypl হচ্ছে একটি ভার্চুয়াল অনলাইন ডুয়েল কারেন্সি কার্ড. এই কার্ড দিয়ে অনলাইন কেনা কাটা থেকেই শুরু করে ফেইসবুক পেজ ইউটিউব ভিডিও এবং বিভিন্ন ব্যবসা বানিজ্য প্রমোশন বা প্রচার করার জন্য লেনদেন করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
এই ভার্চুয়াল কার্ডের গুরুত্ব সবার কাছেই বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
কিনতে চাইলে অ্যাপ
প্রয়োজনীয় অনেক অ্যাপই আছে, যেগুলো কিনতে হয়। আর এই কেনাকাটা করতে ভার্চুয়ালি। ভার্চুয়ালি অর্থ লেনদেনের উপায় বাতলে দিচ্ছেন জাকির হোসাইন
প্লে স্টোর বা আইটিউন্সে অনেক অ্যাপ আছে, যেগুলোর বেশির ভাগই ফ্রি। অর্থাৎ টাকা-পয়সা ছাড়াই এই অ্যাপগুলো ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু সব সময় ফ্রি অ্যাপ দিয়ে সব কাজ করা যায় না। কিছু কিছু অ্যাপ রয়েছে, যেগুলো কিনতে হয়।
দেখা যায় ভালোমানের বেশির ভাগ অ্যাপই কিনতে হয়। শুধু কাজের অ্যাপই নয়, অনেক গেইম আছে, সেগুলোও কিনে খেলতে হয়। ফলে অ্যাপ বা গেইম কেনা ছাড়া কোনো বিকল্প পথ নেই। আর এসব অ্যাপ কিনতে হলে প্রয়োজন হয় ক্রেডিট কার্ড ও ইন্টারন্যাশনাল ডেভিড কার্ডের।
টেলিকম
প্রকাশ: ১৮ জুন, ২০১৬ ০০:০০
কিনতে চাইলে অ্যাপ
প্রয়োজনীয় অনেক অ্যাপই আছে, যেগুলো কিনতে হয়। আর এই কেনাকাটা করতে ভার্চুয়ালি। ভার্চুয়ালি অর্থ লেনদেনের উপায় বাতলে দিচ্ছেন জাকির হোসাইন
notdefined
কিনতে চাইলে অ্যাপ
মডেল : ফুয়াদ, ছবি : তারেক আজিজ নিশক
প্লে স্টোর বা আইটিউন্সে অনেক অ্যাপ আছে, যেগুলোর বেশির ভাগই ফ্রি। অর্থাৎ টাকা-পয়সা ছাড়াই এই অ্যাপগুলো ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু সব সময় ফ্রি অ্যাপ দিয়ে সব কাজ করা যায় না। কিছু কিছু অ্যাপ রয়েছে, যেগুলো কিনতে হয়।
দেখা যায় ভালোমানের বেশির ভাগ অ্যাপই কিনতে হয়। শুধু কাজের অ্যাপই নয়, অনেক গেইম আছে, সেগুলোও কিনে খেলতে হয়। ফলে অ্যাপ বা গেইম কেনা ছাড়া কোনো বিকল্প পথ নেই। আর এসব অ্যাপ কিনতে হলে প্রয়োজন হয় ক্রেডিট কার্ড ও ইন্টারন্যাশনাল ডেভিড কার্ডের।
তবে ক্রেডিট কার্ড ছাড়া অন্যান্য মাধ্যম ব্যবহার করেও প্লে স্টোর বা আইটিউন্স থেকে অ্যাপ কেনা যায়।
গুগল প্লে
ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড
অনলাইন শপিং করতে হলে শুধু ক্রেডিট কার্ডের নম্বর, CVC নম্বর এবং কার্ডের Expire Date লাগে, বাস্তবিক কার্ডের দরকার হয় না। আর এই তথ্যগুলোই হচ্ছে ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড।
অনলাইনে বেশ কিছু সার্ভিস রয়েছে, যেগুলো ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ডের সেবা দিয়ে থাকে।
তেমনি এক সেবাদানকারী সংস্থা হচ্ছে ‘নেটেলার’। এখানে সাইন আপ করলে এরা একটা ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড তৈরি করতে দেবে। পরে এই ভার্চুয়াল কার্ড ব্যবহার করে গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ কেনা যাবে। এখন মনে প্রশ্ন জাগতে পারে ভার্চুয়াল কার্ড তো পেলাম, অ্যাপ কেনার জন্য ডলার পাব কোথায়? ফেইসবুকে ‘বাই অ্যান্ড সেল’ নামে অনেক গ্রুপ রয়েছে। এদের কাছ থেকে ডলার কেনা যাবে।
তবে এ জন্য আগে থেকে একটু যাচাই-বাছাই করে নেওয়া ভালো। বিশ্বস্ত গ্রুপগুলোকে টাকা পাঠিয়ে দিলে ওরা আপনার নেটেলার অ্যাকাউন্টে ডলার পাঠিয়ে দেবে। এরপর যখন ভার্চুয়াল কার্ড দিয়ে অ্যাপ কিনবেন, তখন আপনার এই অ্যাকাউন্ট থেকে ডলার কেটে রাখা হবে।
নেটেলারে অ্যাকাউন্ট খোলার পর অ্যাকাউন্টটি ব্যবহার করার জন্য আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা পাসপোর্ট দিয়ে যাচাই করিয়ে নিতে হবে। অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে neteller.com থেকে। এখান থেকে ভার্চুয়ালি যেকোনো কার্ড মাস্টার, ভিসা, আমেরিকান এক্সপ্রেস ইত্যাদি কার্ড নেওয়া যাবে। বাস্তবিক কার্ডের জন্য আবেদন করলে সেই কার্ডও আপনার ঠিকানায় পাঠিয়ে দেবে। তবে অ্যাপ কিংবা অনলাইনে কেনাকাটার জন্য সত্যিকারের কার্ডের কোনো প্রয়োজন হয় না।
এবার আসা যাক প্লে স্টোর থেকে কিভাবে এই ভার্চুয়াল কার্ড ব্যবহার করে অ্যাপ কেনা যাবে। যে অ্যাপটি কিনতে চাইছেন, সেখানে গিয়ে ইন্সটল বা অ্যাপটির দামের ওপর ক্লিক করলে অ্যাপটি ইন্সটল করতে কী কী প্রয়োজন হবে, তার একটা তালিকা দেখাবে। এখান থেকে ‘Accpet’-এ ক্লিক করতে হবে।
তারপর ‘পেমেন্ট ইনফরমেশন’ দিতে বলবে। আর আপনার কোনো কার্ড অ্যাড করা না থাকলে কার্ড অ্যাড করার অপশন আসবে। এখানে দুটি অপশন পাওয়া যাবে। একটা হচ্ছে Payments Methods আর অন্যটি Redeem। Payments Methods-এ ক্লিক করলে Add Credit or debit card অপশন পাওয়া যাবে। কার্ড নম্বর, CVC নম্বর এবং Expire তারিখ যুক্ত করার পর অ্যাপটি কেনা যাবে। এর পরই অবশ্য আপনার স্মার্টফোন কিংবা ডিভাইসে অ্যাপ ইন্সটল হবে।
অ্যানড্রয়েডের জন্য অ্যাপ কিনতে চাইলে অ্যাপগুলো মোবাইলে থাকা প্লে স্টোর অ্যাপ মাধ্যমেও কেনা যাবে। অথবা ইন্টারনেট ব্রাউজারে play.google.com থেকেও কেনা যাবে। এই দুই মাধ্যমেই কেনার প্রক্রিয়া প্রায় একই রকম। ব্রাউজার থেকে কিনলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মোবাইলে ইন্সটল হয়ে যাবে।
পেওনিয়ার
ভার্চুয়াল কার্ড ছাড়া ইচ্ছা করলে ‘পেওনিয়ার’ থেকেও ফ্রিতে মাস্টারকার্ড সংগ্রহ করা যেতে পারে। ‘পেওনিয়ার’ থেকে কার্ডের জন্য আবেদন করলে তারা ৩০ দিনের মধ্যে ফ্রিতে একটা মাস্টারকার্ড পাঠিয়ে দেবে। ফ্রিতে কার্ড পেলেও ব্যবহার করতে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট ফি দিতে হবে। পেওনিয়ার কার্ডে ডলার লোড করেও প্লে স্টোর বা আইটিউন্স থেকে যেকোনো অ্যাপ কেনা যাবে। আর পেওনিয়ারে অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে এই ঠিকানায় http://goo.gl/Ssxzx7| এখানে অ্যাকাউন্ট খুলতেও জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের প্রয়োজন হবে। ভার্চুয়াল ক্রেডিট কার্ড দিয়ে অ্যাপ কেনার পদ্ধতি অনুসারে একইভাবে পেওনিয়ার দিয়েও অ্যাপ কেনা যাবে।
গিফট কার্ড
কার্ড বা ভার্চুয়াল কার্ড ছাড়াও অ্যাপ কেনা যায়। তার জন্য দরকার গিফট কার্ড। প্লে স্টোর বা আইটিউন্সের গিফট কার্ড ব্যবহার করেও অ্যাপ কেনা যায়। বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক অথবা বড় বড় মোবাইল মার্কেটে এ ধরনের গিফট কার্ড কিনতে পাওয়া যায়। ১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০ ডলারসহ বিভিন্ন মূল্যের কার্ড পাওয়া যায়। গিফট কার্ড অনেকটা মোবাইল রিচার্জ কার্ডের মতো। সেখানে একটা নম্বর থাকে। ওই নম্বরটা দিয়েই অ্যাপ কেনা যাবে।
প্লে স্টোর থেকে গিফট কার্ড দিয়ে অ্যাপ কিনতে চাইলে যে অ্যাপ কিনতে চাইছেন, সেখানে গিয়ে ইন্সটল বা অ্যাপটির দামের ওপর ক্লিক করলে অ্যাপটি ইন্সটল করতে কী কী প্রয়োজন, তার একটা তালিকা দেখাবে। এখান থেকে Accpet-এ ক্লিক করতে হবে। এরপর আপনাকে পেমেন্ট ইনফরমেশন দিতে বলবে। এখানে পাওয়া যাবে Redeem অপশনটি। এখানে গিফট কার্ডের গোপন নম্বরটা দিয়ে Redeem-এ ক্লিক করলে আপনার অ্যাকাউন্টে ওই টাকাটা যুক্ত হবে। এর পরই অ্যাপটি কেনা যাবে।
আইটিউন্স
আইটিউন্স থেকেও একইভাবে ক্রেডিট কার্ড, পেওনিয়ার, গিফট কার্ড ব্যবহার করে অ্যাপ কেনা যাবে। তার জন্য যে অ্যাপটি কিনতে চান, তা বাছাই করে Buy now-তে ক্লিক করতে হবে। এরপর সেখানে ডেভিড কার্ড বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য দিয়ে অ্যাপটি কেনা যাবে। এ ছাড়া একই পেইজে গিফট কার্ড Redeem করার অপশনও পাওয়া যাবে। যেখানে গিফট কার্ডের গোপন নম্বর দিয়ে কার্ড Redeem করা যাবে। সমপরিমাণ টাকা অ্যাকাউন্টে জমা হবে। পরে ওই টাকা খরচ করে যেকোনো অ্যাপ কেনা যাবে।
আইফোন বা আইপ্যাডের জন্যও ফোনে বা প্যাডের ‘অ্যাপ স্টোর’ অ্যাপ থেকে কেনার পাশাপাশি ম্যাকবুক বা পিসিতে ‘অ্যাপ স্টোর’ সফটওয়্যার ডাউনলোড করেও কেনা যাবে। পরে আইফোন বা আইপ্যাডে ইন্সটল করে নেওয়া যাবে।
হোয়াটসঅ্যাপ বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম। একের পর এক নতুন ফিচার নিয়ে হাজির হচ্ছে মেটার মালিকানাধীন সাইটটি। ব্যবহারকারীদের হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ভালো করতেই নতুন সব ফিচার যুক্ত করছে তারা। এবার হোয়াটসঅ্যাপের স্ট্যাটাস থেকেও আয়ের উপায় আনবে প্ল্যাটফর্মটি। হোয়াটসঅ্যাপে স্ট্যাটাস দেওয়ার ফিচার এসেছে অনেকদিন আগেই। ২৪ ঘণ্টার জন্য এখানে ব্যবহারকারীরা ইচ্ছামতো স্ট্যাটাস দিতে পারেন। বিভিন্ন সময় এতে অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে। এবার এই ফিচার থেকে আয় করার সুযোগ করে দিচ্ছে কোম্পানিটি। আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপের স্ট্যাটাস ডাউনলোড করবেন যেভাবে এর ফলে আপনি স্ট্যাটাসে বিজ্ঞাপন দেখতে পাবেন। আপনিও যদি হোয়াটসঅ্যাপে স্ট্যাটাস পোস্ট করতে পছন্দ করেন, তাহলে এর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। যদিও এই ফিচারটি চালু করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষ থেকে এখনো কোনো টাইমলাইন দেওয়া হয়নি। তবে হোয়াটসঅ্যাপের প্রধান উইল ক্যাথকার্ট জানান যে, শিগগির হোয়াটসঅ্যাপে বিজ্ঞাপনের অপশন পাওয়া যাবে। সংস্থাটি ব্যবহারকারীদের চ্যাট ইনবক্সে বিজ্ঞাপন দেখাবে না, যেখানে এইগুলি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল এবং হোয়াটসঅ্যাপের স্ট্যাটাস...
Comments
Post a Comment